আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: থাইল্যান্ডের একটি মাধ্যমিক স্কুলে এক শিক্ষার্থীর এলোপাথাড়ি গুলিতে এক শিক্ষকসহ অন্তত ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। পরে পুলিশের দেওয়া তথ্য ও স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, হামলায় অভিযুক্ত ওই বন্দুকধারী শিক্ষার্থী নিজেও মারা গেছে। তবে সে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে নাকি নিজেই আত্মহত্যা করেছে, তা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে। খবর এনডিটিভির।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দেশটির নোনথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার ঐতিহ্যবাহী ‘দেবসিরিন নোনথাবুরি স্কুলে’ এই প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। নোনথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান দেচরাপি কংকদি বিবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, হামলাকারী ছিল ওই স্কুলেরই নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, যার বয়স আনুমানিক ১৪ বছরের কাছাকাছি। পুলিশের তথ্যমতে, আহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘থাই পিবিএস’ প্রাথমিক তথ্যে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জরুরি সেবাকর্মীদের শেয়ার করা ছবির বরাতে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সের বাইরে স্ট্রেচারে একজনকে শুইয়ে রাখা হয়েছে এবং আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা তড়িঘড়ি করে স্কুল থেকে বেরিয়ে আসছে। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই স্কুলে প্রায় ৩ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থী এবং ১৪৭ জন শিক্ষক রয়েছেন।
হামলার নেপথ্যের কারণ কিংবা ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্রের উপস্থিতি অন্যতম বেশি। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ১ কোটি বৈধ-অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ছড়িয়ে রয়েছে—অর্থাৎ প্রতি ৭ জন নাগরিকের বিপরীতে প্রায় ১টি করে বন্দুক রয়েছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












