আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি ও মুখোমুখি বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর এই প্রথম দুই শীর্ষ নেতার মুখোমুখি হওয়ার প্রবল কূটনৈতিক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে (DW) দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি জানান, আগামী ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠেয় আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ডয়চে ভেলের প্রশ্নের জবাবে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট বলেন, “যদি পুতিন সম্মেলনে আসেন, তবে আমাদের দেখা করতেই হবে। আমাদের বসতে হবে, সরাসরি কথা বলতে হবে এবং যুদ্ধ অবসানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কথা বলার চেয়ে এই মুহূর্তে ফলাফলটাই মুখ্য।” তবে মস্কোর পক্ষ থেকে ক্রেমলিন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি যে পুতিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না। মার্কিন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে সংঘাত নিরসনে উভয় পক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।
একই সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি আসন্ন শীত মৌসুমে ইউক্রেনের শহর ও জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষায় মিত্রদের কাছে ১০০ থেকে ১২০টি ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ-প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জোর তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়া প্রতি মাসে প্রায় ১৪০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক ড্রোন প্রস্তুত করছে, যা মোকাবিলায় ইউক্রেনীয় আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে জার্মানি নিজস্ব মজুত থেকে কিয়েভকে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












