জেলা প্রতিনিধি
যশোর: যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, বোর্ডের অধীনে থাকা ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোর বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাস করা ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো:
সাতক্ষীরা: নাইশা মাধ্যমিক স্কুল (অংশ নিয়েছিল ৭ জন), আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন), শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) এবং দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন)।
খুলনা: ডুমুরিয়ার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) এবং খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাই স্কুল (৪ জন)।
বাগেরহাট: শরণখোলার ডি. এন. একতা গার্লস হাই স্কুল (২ জন)।
যশোর: মণিরামপুর চাঁনদুয়া সমাসকাটি গার্লস হাই স্কুল (৩ জন), হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল (১ জন), শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাই স্কুল (২ জন) এবং মুক্তিযোদ্ধা জি. কে. জি. এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (১ জন)।
শতভাগ ফেলের বিষয়ে বোর্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড। শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের কোনো গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












