লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা:
মুখের পেছনের মাড়িতে সবার শেষে ওঠা দাঁতটিই সাধারণ মানুষের কাছে ‘আক্কেল দাঁত’ বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘থার্ড মোলার’ (Third Molar) নামে পরিচিত। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সে মানুষের বিচারবুদ্ধি ও শারীরিক পরিপক্বতার সময়ে এই দাঁত ওঠে বলেই এর এমন নামকরণ। কারো ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিকভাবে গজিয়ে উঠলেও অধিকাংশ মানুষের জীবনেই এই দাঁত চরম যন্ত্রণা, মাড়ির তীব্র ফোলাভাব এবং অসহ্য ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
দন্ত চিকিৎসকদের মতে, মানবজাতির বিবর্তনের ধারায় খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের কারণে আধুনিক মানুষের চোয়ালের আকার ছোট হয়ে এসেছে। ফলে পেছনের মাড়িতে এই অতিরিক্ত দাঁতটির গজানোর জন্য পর্যাপ্ত খালি জায়গা থাকে না। স্থান সংকটের কারণে দাঁতটি মাড়ির হাড়ের ভেতর আড়াআড়িভাবে আটকে যায় (যাকে বলা হয় ইমপ্যাক্টেড টুথ) কিংবা মাড়ি অর্ধেক ভেদ করে উঠে আসে। এই ফাঁকে জীবাণু ও খাবারের কণা জমে ‘পেরিকোরোনাইটিস’ নামক মারাত্মক সংক্রমণ সৃষ্টি করে, যা থেকে মুখ খুলতে সমস্যা এবং তীব্র প্রদাহ দেখা দেয়। চিকিৎসকরা জানান, দাঁতটি যদি পাশের সুস্থ দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত করে বা বারবার সংক্রমণ ঘটায়, তবে ডেন্টিস্টের পরামর্শে ছোট অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা তুলে ফেলাই সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












