লাইফ স্টাইল ডেস্ক ঢাকা: দুপুরের কিংবা রাতের ভারী খাবারের শেষে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফি পান করা আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় অভ্যাস। তবে খাবারের ঠিক পরপরই এই পানীয়গুলো পান করা পরিপাকতন্ত্র এবং শরীরে পুষ্টি শোষণের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে—তা নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পরিমিত চা বা কফি সাধারণত নিরাপদ হলেও খাবারের সঙ্গে বা ঠিক পরেই এগুলো পান করলে তা শরীরে আয়রন শোষণের হার মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিতে পারে। চা ও কফিতে থাকা ক্যাফেইন এবং পলিফেনল উদ্ভিজ্জ খাবার (ডাল, শাকসবজি) থেকে ‘নন-হিম আয়রন’ শোষণে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করে।
‘আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে পর্যাপ্ত আয়রন থাকা সত্ত্বেও চায়ের পলিফেনল শরীরকে তা সঠিকভাবে গ্রহণ করতে দেয় না। বিশেষ করে যারা রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন কিংবা যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি জটিলতা বাড়ায়।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সংস্থা এনএইচএস (NHS)-এর পরামর্শ অনুযায়ী, যেকোনো ভারী খাবার গ্রহণ কিংবা আয়রন সাপ্লিমেন্ট (যেমন ফেরাস সালফেট) খাওয়ার পর চা বা কফি পানের মাঝে অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত। এছাড়া যাদের অ্যাসিডিটি বা রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তাদেরও খাওয়ার পরপরই চা-কফি এড়িয়ে চলা শ্রেয়।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ









