লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: মুরগির মাংস প্রোটিনের চমৎকার উৎস এবং আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও এর সব অংশ সমানভাবে স্বাস্থ্যকর নয়। পুষ্টিবিশারদদের মতে, পেশি গঠন ও শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন-মিনারেলের চাহিদা পূরণে মুরগির মাংস দারুণ কাজ করলেও, এর কিছু নির্দিষ্ট অংশ এড়িয়ে চলাই স্বাস্থ্যের জন্য মঙ্গলজনক। বিশেষজ্ঞদের মতে, চামড়াবিহীন মুরগির বুকের মাংস সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর হলেও অন্যান্য কিছু অংশে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, মুরগির চামড়ায় প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া মুরগির ফুসফুসে থাকা তাপ-সহনশীল ব্যাকটেরিয়া, অন্ত্রের জীবাণু এবং লেজ ও ঘাড়ের গ্রন্থিতে জমে থাকা ভাইরাস মানবদেহে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। শরীরের বর্জ্য ছেঁকে ফেলা যকৃৎ (লিভার) বা কিডনিতে অ্যান্টিবায়োটিক বা বিষাক্ত উপাদান জমে থাকতে পারে এবং লিভারে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকায় এটি পরিমিত খাওয়া উচিত। অন্যদিকে, সবার প্রিয় লেগ ও থাই পিসে চর্বি ও ক্যালরি বেশি থাকায় ওজন কমাতে আগ্রহীদের এগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পুষ্টিবিদরা আরও সতর্ক করেছেন যে, বাজারে পাওয়া প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস এবং ডুবো তেলে ভাজা মুরগিতে প্রচুর লবণ, প্রিজারভেটিভ এবং ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ভাজা মুরগির বদলে পর্যাপ্ত তাপে সেদ্ধ করা ঝোল বা গ্রিল করা মাংস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর





