বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: পর্দার সামনে বিশাল সব আয়োজন আর আকাশচুম্বী বাজেট নিয়ে হাজির হলেও নিজের বিয়ের দিনটিকে জাঁকজমক থেকে দূরে রাখলেন বিশ্বখ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিমির ডোনাল্ডসন, যিনি বিশ্বজুড়ে ‘মিস্টার বিস্ট’ নামেই সমধিক পরিচিত। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবিগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন মিস্টার বিস্ট। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি এবং এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।’
পর্দায় লাখ লাখ ডলারের জমকালো প্রজেক্ট দেখালেও নিজের জীবনসঙ্গীকে আপন করে নেওয়ার আয়োজনে কোনো আড়ম্বর চাননি এই তারকা। দুই পরিবারের সদস্য ও অতি ঘনিষ্ঠ কিছু প্রিয়জনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি এক পরিবেশে সম্পন্ন হয় তাদের এই পরিণয়। বিয়ের সাজেও ছিল রুচিশীলতার ছোঁয়া। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড রঙের ওপর ফুল ও লেসের সূক্ষ্ম নকশা করা এক আকর্ষণীয় গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্ট সেজেছিলেন সাদা টুক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার এবং কালো বো-টাইয়ের ধ্রুপদী সাজে।
জানা যায়, এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান সেরেছিলেন এই যুগল। নিজের এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘পিপল’ ম্যাগাজিনকে জিমি জানিয়েছিলেন, তার বন্ধুরা ভেবেছিল সুপার বোউলের মতো বিশাল কোনো জায়গায় জাঁকজমকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন তিনি। কিন্তু তিনি এটিকে একেবারে ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত হিসেবেই ধরে রাখতে চেয়েছিলেন।
জিমি ও থিয়ার ভালোবাসার গল্পের শুরুটা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়, এক সাধারণ বন্ধুর সূত্রে। পরিচয়ের পর সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) থিয়াকে বার্তা পাঠান মিস্টার বিস্ট, যেখানে তিনি থিয়ার লেখা বই ‘দ্য মার্কড চিলড্রেন’ পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই সামান্য আলাপচারিতাই একসময় রূপ নেয় গভীর প্রেমে। সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হতেই জিমির পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে। তবে থিয়া এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসায়েন্স’-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করা পর্যন্ত তারা বিয়ের জন্য কিছুটা সময় নেন। অবশেষে সাদামাটা আয়োজনেই এক হলেন এই তারকা জুটি।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












