লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: শীতের আগমন মানেই উৎসবের আমেজ, তবে এর সঙ্গে নিয়ে আসে শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা ও সর্দি-কাশির মতো ‘মৌসুমি’ অসুস্থতা। বেশিরভাগ মানুষই এগুলোকে সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, শীতকালীন এসব সাধারণ সংক্রমণের সময়মতো চিকিৎসা না করালে তা নিউমোনিয়া, কিডনি জটিলতা কিংবা বাতজ্বরের মতো গুরুতর রোগের কারণ হতে পারে।
সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথায় লুকিয়ে থাকা বিপদ: বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ সর্দি অনেক সময় সাইনাস বা কানের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া সাধারণ গলা ব্যথাকে ঠান্ডা বাতাসের প্রভাব মনে করা হলেও এটি ‘স্ট্রেপ থ্রোট’ (Strep Throat) হতে পারে। এর সঠিক চিকিৎসা না হলে বাতজ্বর, জয়েন্টে ব্যথা এমনকি হৃদরোগের জটিলতাও দেখা দিতে পারে।
ফ্লু থেকে নিউমোনিয়া: শীতের ফ্লুকে কেবল জ্বর বা শরীর ব্যথা ভাবা ভুল। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, গর্ভবতী নারী ও কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণ ফ্লু দ্রুত নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের রূপ নিতে পারে।
কাশি ও ফুসফুসের সংক্রমণ: শীতের দীর্ঘস্থায়ী কাশিকে অবহেলা করা ঠিক নয়। এটি ব্রঙ্কাইটিস বা ফুসফুসের সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। ঠান্ডা বাতাসে শ্বাসনালীর তীব্রতা বাড়ে, যা ফুসফুসকে দুর্বল করে দেয়।
পানি কম পানে ইউটিআই ও ত্বকের ঝুঁকি: শীতকালে তৃষ্ণা কম পাওয়ায় মানুষ পানি কম পান করে, ফলে বাড়ে পানিশূন্যতা ও মূত্রনালীর সংক্রমণের (UTI) ঝুঁকি। এটি অবহেলা করলে সংক্রমণ কিডনি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এছাড়া শীতে ত্বকের শুষ্কতা বা ফাটল দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক শরীরে প্রবেশ করে সংক্রমণের সৃষ্টি করতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






