লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: কথায় কথায় ‘সরি’ বা ‘দুঃখিত’ বলা অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। লোকে হয়তো একে বিনয় বলে, কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন ভিন্ন কথা। অকারণে বা নিজের সঠিক অবস্থানের জন্য ক্ষমা চাওয়া আসলে ব্যক্তিত্বহীনতার লক্ষণ এবং এটি নিজের প্রতি অবিচার। নিজেকে অগ্রাধিকার দেওয়া বা নিজের মনের কথা শোনা কোনো অপরাধ নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ৫টি বিষয় রয়েছে যার জন্য কখনোই ক্ষমা চাওয়া উচিত নয়:
১. ব্যক্তিগত সীমানা বা বাউন্ডারি: সবার আপনার ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশের অধিকার নেই। আপনি যদি নিজের জন্য একটি গণ্ডি তৈরি করেন এবং সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে না দেন, তবে তার জন্য লজ্জিত হওয়ার কিছু নেই। এটি আপনার অধিকার।
২. নিজের জন্য সময় বের করা: ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে সময় দেওয়া বা ‘মি-টাইম’ উপভোগ করা স্বার্থপরতা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। তাই বিশ্রাম নেওয়া বা নিজেকে রিচার্জ করার জন্য কারও কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৩. আবেগ প্রকাশ: রাগ, কান্না বা হতাশা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। নিজের আবেগ প্রকাশ করার জন্য ক্ষমা চাওয়া মানে নিজের অনুভূতিকে অসম্মান করা। মন খুলে আবেগ প্রকাশ করা সুস্থতার লক্ষণ।
৪. জীবনের নিজস্ব সিদ্ধান্ত: চাকরি ছাড়া, একা ঘুরতে যাওয়া বা বিয়ে না করা—জীবনের এসব সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার। অন্যের চিত্রনাট্য মেনে না চলে নিজের শর্তে বাঁচুন। এর জন্য অনুশোচনা বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
৫. অতীতের ভুল: মানুষ মাত্রই ভুল করে। তবে অতীতের ভুলের জন্য সারাজীবন ক্ষমা চেয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ করে। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






