বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ফলাফল ‘বিপর্যয়ের’ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক বলেছেন, “মন খুলে গান গাওয়া যায়, নম্বর দেওয়া যায় না।” সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। শিক্ষামন্ত্রীর ফল ঘোষণার পর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন।
খাতা পুনঃনিরীক্ষণে বড় পরিবর্তন এ বছর খাতা পুনঃনিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের বোর্ডের ১৯৮০ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের বা নিরীক্ষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আগে কেউ আবেদন করলে শুধু ট্যাবুলেশন শিট বা নম্বর যোগফলের হিসাব দেখা হতো। সত্যিকার অর্থে শিক্ষকরা খাতা ঠিকমতো দেখেছেন কি না, তা দেখার সুযোগ ছিল না। বর্তমানে আমরা এই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধন করেছি।”
নতুন নিয়মের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, “যেসব ছাত্রছাত্রী তাদের খাতা পুনঃপরীক্ষার জন্য আবেদন করবে, তাদের সম্পূর্ণ খাতা পুনঃপরীক্ষণ করা হবে। এক্সাক্টলি আবার রিভিউ করা হবে ইনফ্রন্ট অব কমিটি। কোথাও যদি কাউকে ভুলভাল মার্কিং করা হয়ে থাকে বা প্রাপ্য নম্বর না দেওয়া হয়ে থাকে, রিভিউ কমিটির সামনে সেই খাতা পুনঃপরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
২০২৭ সালের পরীক্ষা জানুয়ারিতে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর পরীক্ষা নিতে কিছুটা দেরি হলেও আগামী ২০২৭ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। এভাবেই ক্রমান্বয়ে পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনা হবে। এছাড়া, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি, সেগুলোর বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত নকল রোধ করার পর জিরো পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখনকার চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি ছিল। অতীতের সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিও মোকাবিলা করা হবে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












