লাইফ স্টাইল ডেস্ক ঢাকা: প্রাচীনকাল থেকেই এশীয় রূপচর্চায় চাল ধোয়া পানি বা রাইস ওয়াটারের ব্যবহার একটি পরিচিত প্রাকৃতিক উপাদান। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে নিষ্প্রভ ত্বককে সজীব করতে ও ত্বকের জেল্লা ফেরাতে এর জনপ্রিয়তা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ত্বকে নিয়মিত রাইস ওয়াটার ব্যবহার করলে আসলে কী ঘটে, তা খতিয়ে দেখেছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষণায় দেখা গেছে, রাইস ওয়াটারে প্রাকৃতিক স্টার্চ থাকে, যা ব্যবহারের পর ত্বকের ওপর একটি হালকা প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে। এতে ত্বক সাময়িকভাবে মসৃণ ও নরম অনুভূত হতে পারে। চাল থেকে প্রাপ্ত উপাদানগুলো ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং প্রতিরক্ষামূলক স্তরকে কিছুটা শক্তিশালী করতে সহায়তা করতে পারে। ফলে যাদের ত্বকে হালকা অস্বস্তি বা জ্বালাপোড়া থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রশান্তিদায়ক হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, রাইস ওয়াটার ব্যবহার করলেই ত্বকের স্থায়ী রঙ পরিবর্তিত হবে বা স্থায়ী উজ্জ্বলতা চলে আসবে—এমন কোনো জোরালো ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই। রাইস ওয়াটার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম হলো চাল ভালো করে ধুয়ে ১৫-৩০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে সেই পানি আলাদা করা এবং মুখ পরিষ্কারের পর ব্যবহার করা। যদি ব্যবহারের পর ত্বক চটচটে লাগে, তবে তা ধুয়ে ফেলে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ও দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












