জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জে হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সিলেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দলটির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু জানিয়েছেন, হামলার শিকার গাড়িটিতে দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা অবস্থান করছিলেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও পাঁচ মাইল বাজার নামক স্থানে পরপর দুই দফায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ডা. মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করে লেখেন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে গোলাপগঞ্জে বিএনপির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর এই ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। ওই গাড়িতে তিনি নিজে, সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন ছিলেন উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, মূলত তাদের হত্যার উদ্দেশ্যেই এই আক্রমণ করা হয়েছে। হামলাকারীরা গাড়ির ডান দিক ও পেছনের কাঁচগুলো ভেঙে একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
হামলার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি লেখেন, ঘটনা চলাকালীন পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলেও তারা পুরোপুরি নিশ্চুপ দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। ক্ষোভের সুরে তিনি আরও যুক্ত করেন, এসব বিষয়ে তারেক রহমানের কাছে কোনো জবাবদিহি চাওয়ারও উপায় নেই, কারণ তাতে নাকি বেয়াদবি ধরা হবে!
এদিকে, বেলা ২টা ৪২ মিনিটে এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ নিয়ে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে এবং রক্তাক্ত হামলা চালিয়েছে।
এর কিছুক্ষণ পরই আরেকটি পোস্টে সারজিস জানান, পাঁচ মাইল বাজার এলাকায় তাদের ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। ওই পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ইঙ্গিত করে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, “তারেক রহমান কি শেখ হাসিনা হতে চায়?”
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












