স্পোর্টস ডেস্ক
ঢাকা: আর্জেন্টিনাকে বোতলবন্দি করে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলল স্পেন। নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে একমাত্র গোলে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল লা রোজারা। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে (১০৬ মিনিটে) নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্ট থেকে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস।
ফাইনালের শুরু থেকেই স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে স্পেনের বল পজেশন ছিল ৬৫ শতাংশ, যেখানে আর্জেন্টিনার ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। পুরো প্রথমার্ধে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা কোনো শটই লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। এমনকি ১৯৬৬ সালের পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম ৭০ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট নিতে ব্যর্থ হয় তারা। স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পুরো মাঠ জুড়ে দারুণ খেলেছেন এবং আক্রমণের পাশাপাশি রক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেন তাদের আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখে। ৫৬ ও ৬৪ মিনিটে স্পেন গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি করলেও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ তা রুখে দেন। অপরদিকে, আর্জেন্টিনা কয়েকটি পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও স্প্যানিশ রক্ষণের কাছে তা বারবার ব্যর্থ হয়। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে ৯৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে ভিএআর চেকে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। তবে ১০৬ মিনিটে আর হতাশ হতে হয়নি স্পেনকে। পেদ্রো পোরোর ক্রসে উইলিয়ামসের দারুণ সহায়তায় বল জালে জড়ান বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ফেরান তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গোটজের পর তিনিই প্রথম বদলি খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়লেন। শেষ পর্যন্ত এই এক গোলের লিড ধরে রেখেই বিশ্বকাপের মুকুট মাথায় পরে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
বাংলাফ্লো/এফআইআর












