আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ভেনেজুয়েলার শাসন ব্যবস্থা ও অর্থনীতি এখন থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনায় পরিচালিত হবে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভেট স্পষ্ট করেছেন যে, তারা ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে গভীর সমন্বয় করছেন এবং দেশটির সব সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নেওয়া হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক কৌশল ও চাপের মাধ্যমেই মূলত ভেনেজুয়েলার সরকার পরিচালনা করা হবে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে দেশটির জ্বালানি খাতে। ভেনেজুয়েলার প্রধান সম্পদ তেলের ‘মার্কেটিং’ বা বিপণন এবং বিক্রির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় । মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির অর্থ সরাসরি জমা হবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যাংকগুলোতে। প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া এখনই শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলবে। অর্জিত অর্থ মার্কিন সরকার তাদের নিজস্ব বিবেচনায় আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার জনগণের কল্যাণে খরচ করবে।
এদিকে তেল বিক্রির এই লভ্যাংশ ব্যবহারের শর্ত জুড়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি জানিয়েছেন, নতুন চুক্তির আওতায় ভেনেজুয়েলা তাদের তেলের অর্থ দিয়ে কেবল ‘আমেরিকায় তৈরি’ পণ্যই কিনতে পারবে। এই কেনাকাটার তালিকায় থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। অর্থাৎ, ভেনেজুয়েলার তেলের টাকা ঘুরপথে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেই ফিরে আসবে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






