লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা ঘরোয়া কোনো ছোটখাটো উদযাপন— কেক ছাড়া যেন সব আয়োজনই অপূর্ণ। ছোট থেকে বড়, কেকের স্বাদে মুগ্ধ হন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। আজ, ২৬ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক কেক দিবস’। কেকপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ উদযাপনের।

‘কেক’ শব্দটির উৎপত্তি পুরোনো নর্স শব্দ ‘কাকা’ থেকে। ঐতিহাসিকভাবে কেক মূলত ময়দা, চিনি ও অন্যান্য উপাদানে তৈরি একটি বেকড খাবার হলেও, অতীতে এর আকৃতি ছিল অনেকটা রুটির মতো। প্রাচীন গ্রীকরা ডিম, দুধ, বাদাম ও মধুর মিশ্রণে কেক তৈরি করত। রোমান শাসনামলে একে বলা হতো ‘প্ল্যাসেন্টা’। ইংল্যান্ডেও শুরুর দিকে কেক রুটির মতোই তৈরি হতো, তবে সময়ের বিবর্তনে এর আকৃতি এবং উৎপাদন পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। আগে কেক তৈরির সময় উল্টে দেওয়া হতো, যা এখন আর করা হয় না।
বর্তমানে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পেস্ট্রি শপের পাশাপাশি অনলাইনে ‘হোমমেড’ বা ঘরে তৈরি কেকের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং কাস্টমাইজড ডিজাইনের কারণেই মানুষ এখন হোমমেড কেকের দিকে ঝুঁকছেন।

ঢাকা ভিত্তিক অনলাইন হোমমেড কেক শপ ‘জিফান্স কিচেন’-এর স্বত্বাধিকারী কানিজ জিফান খান বলেন, “বর্তমানে মানুষ কেকের টেস্টের পাশাপাশি কেকের কোয়ালিটি এবং লুক নিয়ে অনেক বেশি সচেতন। সবাই চায় নিজের মনের মতো করে কেক ডিজাইন করে নিতে, এজন্য হোমমেড কেকের চাহিদা বেড়ে চলেছে।”

আন্তর্জাতিক কেক দিবস উদযাপনে আপনিও আজ পরিবারের জন্য তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু কেক অথবা অর্ডার করতে পারেন পছন্দের কোনো ফ্লেভার।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






