আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা হলে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আগামী সাতদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। তবে পুরো বিষয়টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি আমাদের উত্থাপিত প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করা হয়, তবে সাতদিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা হতে পারে এবং বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ওয়াশিংটন এখন কী পদক্ষেপ নেবে, তা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভর করছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই প্রস্তাবের শর্তগুলো নতুন কিছু নয়; গত ১৮ জুনের বহুল আলোচিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এর শর্তগুলোর আলোকেই তৈরি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৮ জুনের সেই ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সামরিকীকরণে বিরত থাকা, সব ফ্রন্টে সামরিক সংঘাত বন্ধ, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজে আন্তর্জাতিক জাহাজের নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তার কথা উল্লেখ ছিল। তবে কয়েকদিন পরেই উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে চুক্তিটি ভেস্তে যায়। পরবর্তীতে ইরান নিজেদের অননুমোদিত জলসীমায় চলাচলের অভিযোগে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজের আশপাশে তীব্র বিমান হামলা চালায় এবং কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে হরমুজ উন্মুক্ত করার এই প্রস্তাবকে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












