আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় একটি ক্ষতিগ্রস্ত বহুতল ভবন ধসে পাঁচ শিশুসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্ধারকারীরা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা শহরের তাল আল-হাওয়া এলাকার ওই ভবনটির প্রতিটি তলা ধসে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভেতরে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধার এবং মরদেহ বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে আগেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে অন্তত ১০টি পরিবার ওই অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে বসবাস করে আসছিল।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, গাজায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রবেশের ওপর ইসরায়েলের কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। যে কারণে প্রথমদিকে তাদের প্রায় খালি হাতেই উদ্ধারকাজ শুরু করতে হয়। তবে পরবর্তীতে কিছু ভারী যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই শিশু ও হামাসের এক কমান্ডারসহ অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ গাজায় হামাসের এক কমান্ডার এবং উত্তর গাজায় অপর এক যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় নিয়োজিত ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা ‘মেডিকেল এইড ফর প্যালিস্টাইনিয়ানস’ জানিয়েছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় তাদের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় এক রোগী নিহত হয়েছেন।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












