আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে তিন দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই দুই বাহিনীর মধ্যে প্রথম শীর্ষ বৈঠক। এমন এক সময়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হতে যাচ্ছে, যখন পশ্চিমবঙ্গ থেকে কথিত ‘অবৈধ ও নথিবিহীন’ বাংলাদেশিদের নিয়মিত পুশব্যাকের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন মহাপরিচালক প্রবীন কুমার। বৈঠকে মূলত সীমান্ত অপরাধ দমন, অনুপ্রবেশ রোধ, কাঁটাতার নির্মাণ, কথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর এবং বিএসএফ জওয়ানদের ওপর হামলার অভিযোগসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
ভারত-বাংলাদেশের ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার এখনও কাঁটাতারবিহীন, যার মধ্যে ১৭৪ কিলোমিটারে ভৌগোলিক ও অন্যান্য কারণে বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়। এই অবস্থায় ভারত সীমান্তে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করেছে। পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য ইতোমধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করেছে এবং অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টারও খুলছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা দিলেও, বর্তমান সরকারের সময়ে এই শীর্ষ বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও সীমান্তে সহযোগিতার পরিবেশ পুনরায় মসৃণ হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






