তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
ঢাকা: দীর্ঘ ১৫ বছর সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর এবার অ্যাপলের (Apple) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন টিম কুক। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নতুন সিইও হিসেবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন জন টার্নাস। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপলের শীর্ষ নেতৃত্বে এই বড় পরিবর্তনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।
১৯৯৮ সালে অ্যাপলে যোগ দেওয়া টিম কুক ২০১১ সালে কিংবদন্তি স্টিভ জবসের পর সিইও পদে বসেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান প্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। কুকের আমলে কোম্পানির বাজারমূল্য বেড়ে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ অর্থবছরে অ্যাপলের বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১৬ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে, কুকের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাওয়া জন টার্নাস ২০০১ সাল থেকে অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে কোম্পানির হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা টার্নাস আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক, অ্যাপল ওয়াচ ও এয়ারপডসের মতো জনপ্রিয় পণ্যগুলোর ডিজাইন ও উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন।
পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করা জন টার্নাস ২০১৩ সালে অ্যাপলের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০২১ সালে এক্সিকিউটিভ টিমে যোগ দেন। নতুন এই গুরুদায়িত্ব পেয়ে টার্নাস বলেন, এই সুযোগ পাওয়াটা তাঁর জন্য অত্যন্ত গর্বের। সেই সঙ্গে স্টিভ জবসের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং টিম কুককে মেন্টর হিসেবে পাওয়ার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হার্ডওয়্যার উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এই তীব্র চ্যালেঞ্জিং সময়ে অ্যাপলের নেতৃত্ব বদলের ঘটনাটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তবে টার্নাসের দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞতার কারণে কোম্পানির কাজের ধারাবাহিকতা অটুট থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






