লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখে। তবে প্রতিদিন এই পানীয় পানের সুফল রাতারাতি মেলে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টানা ৩০ দিন বা এক মাস প্রতিদিন ডাবের পানি পান করলে শরীরে পানির পরিমাণ, হজম প্রক্রিয়া ও শক্তির মাত্রায় চমৎকার সব ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। পটাশিয়াম, সোডিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটে ভরপুর এই পানীয় সাধারণ পানির চেয়ে শরীরকে বেশি আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে, বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় এর কার্যকারিতা অনেক বেশি।
নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়ে, যা পেশি, স্নায়ু ও হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখার পাশাপাশি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। এতে ফ্যাট ও চিনি কম থাকায় এটি হজমে দারুণ সহায়ক এবং পেট ফাঁপা বা ভারী ভাব দূর করে। প্যাকেটজাত পানীয়ের মতো কৃত্রিম চিনি না থাকায় এটি শরীরে স্থিতিশীল শক্তির জোগান দেয়। এছাড়া নিয়মিত ডাবের পানি পানে ভেতর থেকে আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে এবং ত্বককে অনেক বেশি সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।
তবে এর কিছু সতর্কতামূলক দিকও রয়েছে। ফলের রসের চেয়ে চিনি কম থাকলেও ডাবের পানি সম্পূর্ণ চিনিমুক্ত নয়। সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এটি রক্তে শর্করার মাত্রায় খুব একটা প্রভাব না ফেললেও ডায়াবেটিস রোগীদের সাবধানে এটি পান করা উচিত। এছাড়া অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহণের ফলে কারও কারও পেট ফাঁপা বা কিডনিতে চাপ পড়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই পুষ্টিবিদরা পরিমিত পরিমাণে ডাবের পানি পানের পরামর্শ দেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






