লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারের বদলে রসালো ফলগুলো খেতে বেশি ইচ্ছা করা একদমই স্বাভাবিক। এটি মূলত পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরের খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি উপায়। গরম আবহাওয়ায় শক্তি গ্রহণের মতোই শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ভারী ও রান্না করা খাবারের চেয়ে রসালো ফলের প্রতি এই আগ্রহ কেবল স্বাদ বা অভ্যাসের কারণে নয়, বরং এটি তৃষ্ণা, তাপমাত্রা এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
গরম আবহাওয়ায় ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর তরল বেরিয়ে যায়। ২০১৯ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা মানুষের খাদ্যাভ্যাসকে প্রভাবিত করে। তরমুজ এবং শসার মতো রসালো ফল শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। পুষ্টিবিদদের মতে, মস্তিষ্ক তৃষ্ণা এবং ক্ষুধাকে ঘনিষ্ঠভাবে নিয়ন্ত্রণ করে বলে অনেক সময় শরীর যখন তরল খোঁজে, তখন ভারী খাবারের ইচ্ছাও হতে পারে। তবে জলীয় ফল একইসঙ্গে পানির অভাব পূরণ করে এবং হালকা ক্ষুধা মেটায়।
এছাড়া, গরমে খাবারের গঠন ও তাপমাত্রা শরীরে আরাম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভারী খাবার হজম করতে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়, যা শরীরের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়িয়ে দেয়। তাই শরীর অভ্যন্তরীণ তাপ উৎপাদন কমাতে ভারী খাবারের বদলে সহজে হজমযোগ্য রসালো ফলের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। জলীয় ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ভারী বোধ না করিয়েই শরীরকে সতেজ রাখে এবং দ্রুত ও সহজলভ্য শক্তি জোগায়।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



