তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
ঢাকা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইলন মাস্কের এআই প্রতিষ্ঠান ‘এক্সএআই’-এর তৈরি অনলাইন বিশ্বকোষ ‘গ্রকিপিডিয়া’। ওপেনএআই-এর জনপ্রিয় চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি (বিশেষ করে জিপিটি–৫.২ মডেল) তথ্যের উৎস হিসেবে এখন এই বিতর্কিত প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছে বলে প্রমাণ মিলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ ও ব্রিটেনের দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
উইকিপিডিয়াকে ‘রক্ষণশীল মতাদর্শের বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে গত বছরের অক্টোবরে ইলন মাস্ক ‘গ্রকিপিডিয়া’ চালু করেন। তবে শুরুর পর থেকেই এটি নানা সমালোচনার মুখে পড়ে।
কিছু নিবন্ধে এইডস সংকটের জন্য পর্নোগ্রাফিকে দায়ী করা হয়েছে এবং দাসপ্রথার পক্ষে তথাকথিত ‘আদর্শিক যুক্তি’ উপস্থাপন করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রকিপিডিয়ার অনেক নিবন্ধ সরাসরি উইকিপিডিয়া থেকে হুবহু নকল করা।
দ্য গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জিপিটি–৫.২ মডেল অন্তত ১২টি প্রশ্নের উত্তরে ৯ বার গ্রকিপিডিয়ার তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে।
তবে ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলা বা এইচআইভি মহামারির মতো অতি সংবেদনশীল বিষয়ে চ্যাটজিপিটি গ্রকিপিডিয়ার তথ্য নেয়নি।
মূলত ইতিহাসবিদ স্যার রিচার্ড ইভান্সের মতো কম পরিচিত বা নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে গ্রকিপিডিয়ার তথ্য ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে ওপেনএআই জানিয়েছে, তারা ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বাধিক বিস্তৃত তথ্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। অন্যদিকে, অ্যানথ্রপিকের চ্যাটবট ‘ক্লড’–ও কিছু ক্ষেত্রে এই উৎস ব্যবহার করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






