লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: শীতকাল মানেই পিঠা-পুলি আর খেজুর গুড়ের মৌসম। জিভে জল আনা স্বাদ আর মন মাতানো গন্ধে খেজুর গুড় সবারই প্রিয়। তবে এটি কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বরং শীতে শরীর সুস্থ রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। পুষ্টিবিদরা বলছেন, পরিশোধিত চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে খেজুর গুড় বা ‘পাটালি গুড়’ হতে পারে এই শীতে আপনার সেরা বন্ধু। চলুন জেনে নেওয়া যাক শীতে খেজুর গুড় খাওয়ার ৫টি প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা।
শক্তির পাওয়ারহাউজ: শীতে অনেক সময় অলসতা ভর করে। খেজুর গুড় কার্বোহাইড্রেট ও প্রাকৃতিক শর্করার উৎস হওয়ায় এটি তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। জার্নাল অফ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর মতে, এতে থাকা জটিল শর্করা রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ না বাড়িয়ে ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়, যা দীর্ঘক্ষণ শরীরকে চনমনে রাখে।
হজমের বন্ধু: শীতকালে শারীরিক নড়াচড়া কমে যাওয়ায় অনেকেরই কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। খেজুর গুড় হজমকারী এনজাইমকে উদ্দীপিত করে এবং এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখে এবং পেট ফাঁপা বা বদহজমের ঝুঁকি কমায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এই গুড়ে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান। আয়রন হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে এবং ম্যাগনেশিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত গুড় খেলে শীতে সর্দি-কাশি ও মৌসুমি সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়।
শরীর রাখে উষ্ণ: শীতের তীব্রতায় শরীর গরম রাখতে খেজুর গুড় দারুণ কার্যকর। এর থার্মোজেনিক বৈশিষ্ট্য শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তিল বা চিনাবাদামের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে শীতের কামড় থেকে আরাম পাওয়া যায়।
প্রাকৃতিক ডিটক্স: শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন বের করে দিতে খেজুর গুড় ‘ন্যাচারাল ডিটক্স’ হিসেবে কাজ করে। এটি লিভার ও অন্ত্র পরিষ্কার রাখে। এছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়ে ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






