লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: পালং শাক দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টির অন্যতম উৎস হিসেবে সমাদৃত। স্মুদি এবং সালাদ থেকে শুরু করে সবজি কিংবা স্যুপ—নানাভাবে এই সবুজ শাকটি খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তবে এর অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কাঁচা বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। শরীর সুস্থ রাখতে এই শাকের জুড়ি মেলা ভার। ‘দ্য জার্নাল অফ নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পালং শাকে নন-হিম আয়রন থাকে, যা শরীরের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখে। তাই শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করতে নিয়মিত এই শাক খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
হজমশক্তি ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায়ও পালং শাক বেশ কার্যকর। ২০২১ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরণের প্রাকৃতিক তন্তু রয়েছে, যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং সামগ্রিক অন্ত্রের গতি নিয়মিত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই শাকে রয়েছে লুটেইন, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং আলফা-লাইপোয়িক অ্যাসিডের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মোকাবিলায় এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের কারণে কোষের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।
হাড়ের সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও পালং শাকের ভূমিকা অপরিসীম। ২০২৪ সালের একটি গবেষণা বলছে, পালং শাকে থাকা ভিটামিন কে এবং ম্যাগনেসিয়াম শক্তিশালী হাড় বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর ক্যালসিয়াম ব্যবহারে সহায়তা করে। পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে, যা শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ কোষের কার্যকারিতায় সহায়তা করতে এবং প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






