লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: কাউকে চেহারা, শারীরিক গঠন বা ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করার পর অনেকেই খুব সহজে বলেন, ‘মজা করছিলাম’। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, রসিকতার আড়ালে করা এমন অপমানের কষ্ট কেবল এই একটি কথায় মুছে যায় না; বরং তা ভুক্তভোগীর আত্মসম্মান ও মানসিক স্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মনোবিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘সাইকোলজি টুডে’-তে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শৈশব বা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় নিয়মিত বিদ্রূপ ও অপমানজনক কথার শিকার হলে মানুষের মধ্যে লজ্জা, হীনম্মন্যতা, বিষণ্নতা ও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বন্ধুমহলে পারস্পরিক সম্মতিতে করা নির্দোষ ঠাট্টা এবং কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্যে করা কটূক্তি কখনোই এক বিষয় নয়।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, মজার ছলে অপমানের প্রভাব কেবল ভুক্তভোগীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; আশপাশের মানুষও এমন আচরণ দেখে সেটিকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়। কোনো কাজের গঠনমূলক সমালোচনা করা এবং কাউকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। তাই হাস্যরসের আড়ালে অপমানকে স্বাভাবিক না করে কথা বলার ক্ষেত্রে সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিজ্ঞানীরা।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












