লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: কনকনে শীতে পানির তৃষ্ণা কম পায়, তাই অবহেলায় পড়ে থাকে পানির বোতল। দুপুরের আগেই হয়তো আমরা তৃতীয় কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফির মগে চুমুক দিই। এর ফলে শরীর নীরবে ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে, ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক ও নিস্তেজ।
পুষ্টিবিদদের মতে, শীতে ঠান্ডা জুস বা সফট ড্রিংকস পান করা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং এমন কিছু উষ্ণ পানীয় বেছে নেওয়া উচিত, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি শক্তি জোগাবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাবে।
শীতে সুস্থ থাকার ৩ জাদুকরী পানীয় ও খাবার:
১. সকালে উষ্ণ লেবুপানি: শীতে ঠান্ডা পানি পান করতে অনেকেরই অসুবিধা হয়। এর চমৎকার সমাধান হলো উষ্ণ লেবুপানি।
প্রস্তুত প্রণালি: এক মগ গরম পানিতে অর্ধেক লেবু চিপে নিন এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন।
উপকারিতা: এই পানীয়টি পেটের জন্য খুব আরামদায়ক। এটি সকালে কফির চেয়েও ভালোভাবে শরীরকে জাগিয়ে তোলে এবং দিন শুরু করার আগেই আধা লিটার পানি পানের লক্ষ্য পূরণ করে।
২. ভেষজ চা (হারবাল টি): দুধ-চিনি মেশানো চা বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করতে পারে। তাই ‘টি টাইম’-কে ‘হাইড্রেশন টাইম’-এ রূপান্তর করুন।
কী খাবেন: পুদিনা, ক্যামোমাইল বা তুলসী-আদা চা।
উপকারিতা: প্রতিটি কাপে প্রায় এক গ্লাস পানির জোগান মেলে। বোনাস হিসেবে এসব চায়ের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শীতে ত্বককে সুরক্ষা দেয়।
৩. মৌসুমি স্যুপ ও ফল: শীতের বাজারে পানিযুক্ত ফলের সমাহার থাকে।
ফল: মাল্টা, কমলা এবং গাজরের মতো ফল ডেস্কে রাখুন। চিনিযুক্ত মিষ্টির বদলে এক বাটি কাটা ফল খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
স্যুপ: রাতের খাবারে উষ্ণ ও আরামদায়ক স্যুপ রাখুন। এটি শরীরের দৈনন্দিন তরল গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






