আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঢাকা: বিশ্বের ‘সবচেয়ে অপরাজেয় ও শক্তিশালী’ সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতি গ্রহণের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক শীর্ষ কমান্ডারদের এক বিশেষ সম্মেলনে কিম এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন।
কিম জং উন তাঁর ভাষণে বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের মিত্ররা কোরীয় উপদ্বীপে লাগাতার আগ্রাসনের উসকানি দিচ্ছে। শত্রুর যেকোনো সম্ভাব্য দুঃসাহসিক পদক্ষেপ ধূলিসাৎ করে দিতে উত্তর কোরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীকে প্রচলিত যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক সক্ষমতার আধুনিকীকরণ দ্বিগুণ গতিতে এগিয়ে নিতে হবে। সেনাদের কঠোর বাস্তবসম্মত যুদ্ধ প্রশিক্ষণ নেওয়ারও তাগিদ দেন তিনি।
সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান সামরিক প্যারেডে অত্যাধুনিক দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) এবং নতুন প্রজন্মের হাইপারসনিক ওয়ারহেড প্রদর্শন করা হয়। পেন্টাগন ও সিউলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দাবি করেছে, কিম সরকার রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত সামরিক জোট আরও সুদৃঢ় করেছে এবং আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তিতে বিপুল বিনিয়োগ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পটভূমিতে ওয়াশিংটন ও সিউলের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করতেই কিম জং উন এমন আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। কোরীয় উপদ্বীপে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে উত্তর কোরিয়ার এ ঘোষণা নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতাকে উসকে দিচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ









