লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: পবিত্র রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। ফলে এ সময় স্বাভাবিকভাবেই বেশিরভাগ রোজাদারের শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং পানি পানের নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন ও সচেতনতা আনলে এই পানিশূন্যতা সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সেহরিতে কমপক্ষে ১ থেকে ২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। কেবল ইফতারেই নয়, বরং এরপর রাতে যতক্ষণ জেগে থাকবেন, কিছুক্ষণ পরপর পানি পানের অভ্যাস করতে হবে। তবে হজমের সুবিধার্থে খাবার খাওয়ার সময় বা পরপরই প্রচুর পানি পান না করে, অন্তত ২০ মিনিটের একটি বিরতি রাখা স্বাস্থ্যসম্মত। এ সময় খাদ্যতালিকায় শসা, লেটুস, রসালো ফল, স্যুপ এবং মসুর ডালের মতো পানি ও তরল সমৃদ্ধ খাবার বেশি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইফতারে ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত ও স্মুদি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ করে।
অন্যদিকে, পানিশূন্যতা এড়াতে রোজায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। চা, কফি বা কোমল পানীয়ের মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় প্রস্রাবের মাত্রা বাড়িয়ে শরীরে পানির মারাত্মক ঘাটতি তৈরি করে, তাই এগুলো পরিহার করা উচিত। এছাড়া অতিরিক্ত লবণাক্ত, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার দ্রুত তৃষ্ণা বাড়ায়। ইফতারে বরফ-ঠান্ডা পানির বদলে হালকা কুসুম গরম পানি পানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি হজমে সহায়ক এবং শরীর এই তরলকে খুব দ্রুত ও ভালোভাবে শোষণ করতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






