লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: বাজারে ফলের দাম যখন আকাশছোঁয়া, তখন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা সবচেয়ে পুষ্টিকর ফল হলো কলা। একে বলা হয় ‘বাজেট-বান্ধব সুপারফুড’। তাৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে হজমশক্তি উন্নত করতে কলার জুড়ি মেলা ভার। তবে দিনে কয়টি কলা খাওয়া নিরাপদ এবং কাদের জন্য এটি ঝুঁকির কারণ হতে পারে, তা জানা জরুরি।
কলা ভিটামিন ও খনিজের প্রাকৃতিক ভাণ্ডার। এতে রয়েছে:
জটিল স্টার্চ: যা দ্রুত শক্তি জোগায়।
ভিটামিন বি৬: মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক।
পটাশিয়াম ও ফাইবার: হৃৎপিণ্ড ও হজমের জন্য উপকারী।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
এতে প্রাকৃতিকভাবে চর্বি ও সোডিয়ামের পরিমাণ খুবই কম।
দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত? পুষ্টিবিদদের মতে, বেশি সবসময় ভালো নয়।
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক: সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে প্রতিদিন দুটি কলা খাওয়া নিরাপদ ও উপকারী।
শারীরিক পরিশ্রমকারী: যারা নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করেন, তারা সহজেই শক্তি পূরণে দিনে দুটি কলা খেতে পারেন।
যাদের সতর্কতা জরুরি: কলা উপকারী হলেও সবার জন্য সমান নয়।
ডায়াবেটিস রোগী: কলায় চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।
কিডনি রোগী: কলায় উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে, যা দুর্বল কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই তাদের কলা খাওয়ার ক্ষেত্রে রাশ টানা জরুরি।
কেন খাবেন কলা? (উপকারিতা): ১. হজম ও পেট ফাঁপা রোধ: কলায় থাকা ফাইবার ও পেকটিন অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেট ফাঁপা কমায়। ২. হার্ট ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ: পর্যাপ্ত পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। ৩. মুড ভালো রাখে: এটি শরীরে সেরোটোনিন ও ডোপামিন (হ্যাপি হরমোন) উৎপাদন বাড়ায়, যা মানসিক প্রশান্তি দেয়।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






