লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: নতুন বছর মানেই নতুন স্বপ্ন, সফলতা আর ধনী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এই সব অর্জনই অর্থহীন হয়ে পড়ে যদি শরীর অসুস্থ থাকে। ‘সুস্থতাই সবচেয়ে বড় সম্পদ’—এই ধ্রুব সত্যটি অসুস্থ হওয়ার আগেই উপলব্ধি করা বুদ্ধিমানের কাজ। ২০২৬ সালে নিজেকে সুস্থ ও সবল রাখতে হলে প্রতিদিনের অভ্যাসে আনতে হবে ছোট কিন্তু কার্যকরী কিছু পরিবর্তন।
১. স্বাস্থ্যকর খাবারই আসল ওষুধ: আমরা যা খাই, তা-ই আমাদের শরীর গঠন করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং অসুখ-বিসুখ দূরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি। প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে সুষম খাবার খেলে শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী থাকে।
২. ঘুমের সঙ্গে আপস নয়: সুস্থতার অন্যতম স্তম্ভ হলো পর্যাপ্ত ঘুম। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতি রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম অপরিহার্য। রাতে দেরি করে ঘুমানো এবং সকালে দেরি করে ওঠার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ দূরে সরিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৩. জিমে না গিয়েও শরীরচর্চা: ব্যায়াম মানেই জিমে গিয়ে ভারী যন্ত্রের কসরত নয়। প্রতিদিন সকালে আধা ঘণ্টা হাঁটলে, সাইকেল চালালে বা সাঁতার কাটলেও শরীর ফিট থাকে। যারা জিমে যাওয়ার সময় পান না, তাদের জন্য ভোরের হাঁটা হতে পারে সেরা শরীরচর্চা।
৪. ইতিবাচক মানসিকতা: শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের নিবিড় যোগ রয়েছে। নেতিবাচক চিন্তা শরীর ও মনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই জীবনের সব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করতে হবে। মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকে, যা সফল হওয়ার পথকে সহজ করে তোলে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






