আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: গত ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। এর দুই দিন পর এক রুদ্ধশ্বাস ও দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে ওই বিমানের পাইলটসহ অপর ক্রুকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের সেনারা। তবে এই ঘটনার পর চরম ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ইরানকে উদ্দেশ্য করে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেন। সেখানে তিনি তেহরানকে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার পাশাপাশি আল্লাহর নামও উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প যেদিন এই কড়া পোস্টটি করেন, দিনটি ছিল খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র উৎসব ‘ইস্টার সানডে’। এমন একটি পবিত্র দিনে দেশের সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে কদর্য ভাষায় গালাগাল এবং একই সঙ্গে সৃষ্টিকর্তার নাম নেওয়ার বিষয়টি চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে। গতকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্পের ওই পোস্টের পরপরই রিপাবলিকান সিনেটর ও শীর্ষ খ্রিষ্টান নেতারা সরাসরি হোয়াইট হাউজে যোগাযোগ করে তাদের তীব্র আপত্তির কথা জানান। ইস্টার সানডের মতো দিনে প্রেসিডেন্টের এহেন আচরণকে তারা সম্পূর্ণ অশোভন ও অনুচিত বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেদিন ট্রাম্প তার পোস্টে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় লিখেছিলেন, “উন্মাদ অবৈধ সন্তান, হরমুজ প্রণালি খুলে দিন। নয়ত আপনাদের নরকে বাস করতে হবে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।” মূলত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন অশালীন মন্তব্য করেছেন, যা এখন খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






