বাংলাফ্লো ডেস্ক
ঢাকা: পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যে বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই গুছিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শুক্রবার (৮ মে) ৩০০ ফিট এলাকার পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এ নবনির্মিত খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি ভবনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
আইজিপি বলেন, “আসন্ন পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরা পুলিশকে আরও সুশৃঙ্খল এবং জনবান্ধব করার দিকনির্দেশনা দেবেন। সবার সহযোগিতায় আমরা নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
৩০০ ফিট পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে ও এর আশপাশের এলাকার দ্রুত সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান জানান, নামাপাড়া, পাতিরা, ডুমনি, বরুয়া ও তলনা এলাকাগুলো খিলক্ষেত থানা থেকে বেশ দূরে হওয়ায় জরুরি পুলিশি সেবা পৌঁছানো কঠিন হতো। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন আবাসন প্রকল্প ঘিরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কাছে হওয়ায় মাদক পরিবহনের ঝুঁকি, এবং রাতে বিনোদনপ্রেমীদের ব্যাপক সমাগমের কারণে এই এলাকায় সার্বক্ষণিক শক্তিশালী পুলিশি উপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল।
আইজিপি আরও জানান, দূরত্ব ও যাতায়াত খরচের কারণে আগে স্থানীয়রা থানায় গিয়ে পুলিশি সেবা নিতে অনীহা প্রকাশ করতেন। এক্সপ্রেসওয়েতে দ্রুত গতির কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং চুরি-ছিনতাইয়ের সুযোগও রয়েছে। নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের ফলে জনগণের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং যেকোনো অপরাধ সংঘটনের আগেই দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






