'ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বাদশাহকে আটকে পড়া ইরানি হজযাত্রীদের সহায়তার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর বাদশাহ সালমান এটি অনুমোদন করেন।'
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি এই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সমঝোতায় আসাটা 'বুদ্ধিমানের কাজ' হবে বলে মন্তব্য করেন।
ইসরায়েলি হামলায় বিজ্ঞানী ছাড়াও সামরিক ও বেসামরিকসহ একাধিক উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রয়েছেন দেশটির দুই শীর্ষ কর্মকর্তা সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি।
টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখর জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞরা এই দুঃসহ বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করবেন।
নেতানিয়াহু হুশিয়ারি দেন, ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযানের শুরুতে এটা ছিল প্রথম পর্যায়ের হামলা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভিতেও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল বাকেরি নিহত হয়েছেন। পৃথক হামলায় রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রধান মেজর জেনারেল সালামিও নিহত হন।
ইরানের দিক থেকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করে রেখেছে ইসরায়েল। পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত দেশটির বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
ভোররাত ৩টার দিকে হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। ছয় থেকে নয়টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন স্থানীয়রা। হামলা হয়েছে তেহরানের বেশ কয়েটি স্থানে।
দেশটির রেভ্যলুশনারি গার্ডের প্রধান কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। হামলায় দলটির প্রধান কর্মকর্তা হোসেইন সালামি নিহত হয়েছেন। এছাড়া, রাজধানীর আবাসিক এলাকায় এক বিস্ফোরণ হলে কয়েকজন শিশু মারা যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উড়োজাহাজের আরোহীদের পাশাপাশি মাটিতে থাকা অনেকেও নিহত হয়েছে।
বিমানটিতে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২১৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক, ১১ শিশু এবং ২ জন শিশু ছিল।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমিশনার জানান, বিমানের ১১-এ নম্বর আসনে বসা যাত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বৃহস্পতিবার এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে টাটা গ্রুপ জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা খরচও বহন করা হবে।
চিকিৎসকদের সংগঠন ফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (ফাইমা) জানায়, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে বেশিরভাগ যাত্রীকেই মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহমেদাবাদ থেকে ২৪২ জন আরোহী নিয়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।