অর্থনীতি ডেস্ক
ঢাকা:
উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, তীব্র তারল্য সংকট এবং বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতির কারণে দেশের তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ১৫টি ব্যাংক মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে এবং আমানতকারীদের আমানত সুরক্ষিত রাখতে এই ব্যাংকগুলোর ওপর কড়া নজরদারি ও দৈনিক তদারকি জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ আর্থিক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিগত কয়েক বছরে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিতরণ করা ঋণের একটি বড় অংশ অনাদায়ি হয়ে পড়ায় ব্যাংকগুলোতে আদায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ঝুঁকি সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব ব্যাংকে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ ও ঋণ প্রদানে কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠন করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর সংস্কার ও সঠিক অডিট ছাড়া সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ










