বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। এর আগে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনসহ সংসদীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন। এ সময় তিনি ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। স্পিকারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, হাফিজ উদ্দিন আহমদ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং ভালো ফুটবলার।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সব সময় নানা টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্রের পথচলা সুগম হয়েছে।
স্পিকার আরও বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই ভিত্তি হওয়া উচিত। জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী নিশ্চিত করেন, দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকারও আগ্রহী।
বৈঠকে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট ও পুনর্বাসন, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ









