লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: অ্যাজমায় আক্রান্তদের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে—নির্দিষ্ট কোনো খাবার তাদের সমস্যা বাড়াতে পারে কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও খাদ্যাভ্যাস সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়, তবে কিছু খাবার অ্যাজমার উপসর্গকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস জানা থাকলে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
খাবার কি সত্যিই অ্যাজমার উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে?
অ্যাজমা একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা শ্বাসনালীকে প্রভাবিত করে এবং শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে। খাবার সরাসরি অ্যাজমা সৃষ্টি না করলেও, নির্দিষ্ট কিছু খাবার আক্রান্তদের উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। নিউট্রিশন রিভিউজ-এ প্রকাশিত ২০২০ সালের একটি পর্যালোচনা থেকে জানা যায়, খাদ্যাভ্যাস অ্যাজমার ঝুঁকি এবং উপসর্গকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। প্রমাণ থেকে দেখা গেছে যে, উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার, বেশি করে ফল ও শাক-সবজি খাওয়া, প্রাণিজ পণ্য কমানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হাঁপানির প্রকোপ কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শান্ত করতে সাহায্য করে।
যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত
অ্যাজমা রোগীদের নির্দিষ্ট কিছু ট্রিগার শনাক্ত করে তা এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে নিচের খাবারগুলো সমস্যা বাড়াতে পারে:
সালফাইটযুক্ত খাবার: শুকনো ফল, ওয়াইন এবং প্রক্রিয়াজাত আলু।
প্রিজারভেটিভযুক্ত মাংস: হট ডগ, টিনজাত মাংস, হ্যাম, পেপারোনি স্লাইস এবং সসেজ।
অ্যালার্জি উদ্রেককারী খাবার: ব্যক্তিগত অ্যালার্জির ওপর ভিত্তি করে দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ ইত্যাদি।
ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে যা খাবেন
কিছু খাবার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং প্রদাহ মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা রাখে:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি: বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি এবং গাজর।
ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার: স্যামন, সার্ডিন, আখরোট এবং ফ্ল্যাক্স সিড।
অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার: ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, শস্যদানা, ডাল জাতীয় খাবার এবং কুমড়ার বীজের মতো ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






