আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: চলতি বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি থেকে মে) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় অবৈধ পারাপার প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) ইইউর সীমান্ত ও কোস্ট গার্ড এজেন্সি ফ্রন্টেক্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ফ্রন্টেক্সের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই পাঁচ মাসে প্রায় ৩৯ হাজার অনিয়মিত সীমান্ত পারাপারের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অভিবাসীদের যাত্রার প্রধান উৎসদেশগুলোতে নেওয়া কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কারণেই অবৈধ অভিবাসনে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
এদিকে, অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতিমধ্যে নতুন ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড অ্যাসাইলাম প্যাক্ট’ কার্যকর করেছে। এর আওতায় ইইউ সীমান্তে অভিবাসীদের জন্য একটি অভিন্ন ও মানসম্মত স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফ্রন্টেক্সের নির্বাহী পরিচালক হান্স লেইটেনস এই বিষয়ে জানান, নতুন এই নিয়মের ফলে ইইউ সীমান্তে সবার ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড মেনে চলা হবে এবং এই চুক্তি সদস্য দেশগুলোকে একই আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।
অভিবাসীদের যাতায়াতের রুটগুলোতেও ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সংস্থাটির দেওয়া তথ্যমতে, আফ্রিকান রুটে অবৈধ পারাপার সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭১ শতাংশ কমে এসেছে। তবে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় রুটে অনিয়মিত পারাপার শতাংশের হিসেবে সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৪৬ ভাগ বেড়েছে। এছাড়া মধ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় রুটগুলো এখনো অবৈধ অভিবাসনের সবচেয়ে ব্যস্ত পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বরাতে ফ্রন্টেক্স আরও জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ১ হাজার ৩০০ অভিবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






