আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দখলদার দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার সেনাবাহিনীকে আরও সামনে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে ইসরায়েলি সেনারা একটি কৌশলগত পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রণও নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহর ড্রোন ও রকেট হামলা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অগ্রযাত্রা পুরোপুরি থামাতে বা যুদ্ধের গতিপথ বদলাতে না পারলেও, এই যুদ্ধকে ইসরায়েলের জন্য অনেক বেশি ব্যয়বহুল করে তুলছে। সোমবার দক্ষিণ লেবাননে একজন ইসরায়েলি সৈনিকের মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন মাঠ পর্যায়ে তাদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই হিজবুল্লাহ সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে আক্রমণ বাড়িয়েছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত শহরগুলোতে থাকা ইসরায়েলি সেনা এবং উত্তর ইসরায়েলের বেশ কিছু অঞ্চল। এসব ড্রোন হামলায় কিছু হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও বেড়েছে, যা ইসরায়েলের আরও গভীর অঞ্চলে আঘাত হানছে।
ইসরায়েলের বর্তমান লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা হামলা বন্ধ করে এবং নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই অসম যুদ্ধে ইসরায়েল হয়তো লেবাননের বেশ কিছু ভূখণ্ড দখল করতে পারবে, কিন্তু সামগ্রিকভাবে সফল হতে পারবে না। কারণ হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে তাদের বিপুল আর্থিক ক্ষতি ও প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে, যা এই মুহূর্তে ইসরায়েলের জন্যই বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



