বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সরকার উপায়হীন হয়ে বাধ্য হয়েই দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও দ্রুত তা কমানো হবে বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রোববার (৩১ মে) রাতে নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১৪০ থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত (৬৬ শতাংশ) জ্বালানি ডিজেলের দাম আগের মতোই ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তেলের দাম বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের উদ্বেগ প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “আমরা আশাবাদী যে মধ্যপ্রাচ্য সংকট অচিরেই সমাধান হবে। গ্লোবাল প্রাইস যদি দ্রুত কমে আসে, আমরাও খুব দ্রুত সেটি দেশের বাজারে সমন্বয় করার চেষ্টা করব।” অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য কমে এলে জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেবো, ইনশাআল্লাহ।”
বাংলাফ্লো/এফআইআর






