আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইউরোপ ও আমেরিকার পৃথক দুটি স্থানে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ স্পেনের একটি শহরে পারিবারিক কলহের জেরে বন্দুকধারীর গুলিতে দুইজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোতে একটি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে উগ্রবাদী হামলায় তিন মুসল্লির পাশাপাশি দুই বন্দুকধারী নিহত হয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
দক্ষিণ স্পেনের আলমেরিয়া প্রদেশের কৃষিপ্রধান শহর এল এজিদোতে (El Ejido) ভয়াবহ এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাতের আঁধারে এই অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই অন্তত দু’জন নিহত এবং আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্পেনের সিভিল গার্ড পুলিশ (Civil Guard) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, নিহত দু’জনই সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর আপন আত্মীয় ছিলেন। মূলত পারিবারিক অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরেই এই রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মূল বন্দুকধারীকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে ঘটনার বিস্তারিত আর কিছু এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন নিরীহ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলেই গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে সন্দেহভাজন দুই তরুণ বন্দুকধারী। সব মিলিয়ে এই হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ জনে।
সোমবার (১৮ মে, স্থানীয় সময়) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় অবস্থিত ‘ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো’ (ICSD) মসজিদে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে।
সান ডিয়েগো পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী দুই সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর একজনের বয়স ১৭ বছর এবং অন্যজনের বয়স ১৯ বছর। তারা ভারী অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের প্রাণহানি ঘটে। পরে চারপাশ থেকে পুলিশ ভবনটি ঘেরাও করলে ধরা পড়ার ভয়ে দুই তরুণ বন্দুকধারী নিজেদের ওপর গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করে। এই ঘৃণ্য হামলার নেপথ্যে কোনো জাতিগত বা ধর্মীয় বিদ্বেষ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই (FBI)।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






