লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমে যখন প্রাণ যায় যায় অবস্থা, তখন শরীর ঠান্ডা রাখাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই সময়ে কেবল রোদ এড়িয়ে চলাই শেষ কথা নয়, নজর দিতে হয় রোজকার খাওয়া-দাওয়ার দিকেও। বিশেষ করে শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে এবং সতেজ থাকতে সাধারণ পানির পাশাপাশি ভরসা রাখতে পারেন আমাদের চিরচেনা কিছু দেশি পানীয়ের ওপর। এগুলো শুধু তৃষ্ণাই মেটাবে না, বরং হিটস্ট্রোকের মতো মারাত্মক বিপদ থেকেও আপনাকে বাঁচাবে। চলুন জেনে নিই এমন পাঁচটি জাদুকরী পানীয়ের খোঁজ-
হিটস্ট্রোকের যম বেলের শরবত: গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা বেলের শরবত যেন অমৃত! ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফাইবার আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই শরবত নিমিষেই শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনে। হজমশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
ক্লান্তি দূর করতে আখের রস: গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে রাস্তার ধারের এক গ্লাস আখের রস নিমেষেই শরীরে এনার্জি ফিরিয়ে আনে। এতে থাকা প্রাকৃতিক গ্লুকোজ আর ইলেকট্রোলাইট শরীরকে পানিশূন্য হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বাড়িতে বানানো একটু ঝামেলার হলেও, হাতের নাগালেই বেশ সহজে পাওয়া যায় সতেজ এই পানীয়।
শক্তির আধার ‘ঠান্ডাই’: দুধ, নানা রকম ড্রাই ফ্রুটস আর সুগন্ধি মশলার দারুণ এক যুগলবন্দিতে তৈরি হয় এই ঐতিহ্যবাহী পানীয়। স্বাদে যেমন অতুলনীয়, গুণেও তেমনি সেরা। কাঠফাটা গরমে শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতে এবং চটজলদি এনার্জি পেতে ঠান্ডাই হতে পারে আপনার রোজকার সঙ্গী।
হজম ও স্বস্তিতে জিরাপানি: টক-মিষ্টি স্বাদের ঠান্ডা এক গ্লাস জিরাপানি যেন গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতো স্বস্তি এনে দেয়! ভাজা জিরা, বিট লবণ, পুদিনা পাতা, আদা আর লেবুর দারুণ মিশ্রণ শুধু শরীরকেই আর্দ্র রাখে না, বরং এই গরমে পেটের গোলমাল বা হজমের যেকোনো সমস্যাও চুটকিতে দূর করে।
পুষ্টিতে ভরপুর ছাতুর শরবত: ভাজা ছোলার গুঁড়া বা ছাতু দিয়ে তৈরি শরবত গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার এক প্রাচীন ও পরীক্ষিত উপায়। ফাইবার আর প্রোটিনে ঠাসা এই পানীয় একবার খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। এটি তাপপ্রবাহের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে বাঁচায় এবং সারাদিনের দৌড়ঝাঁপের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






