বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন রাজধানীর রাইডশেয়ারিং মোটরসাইকেল চালকেরা। দীর্ঘ সময় ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে তাদের ট্রিপের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, ফলে আয় নেমে এসেছে অর্ধেকেরও নিচে। আগে যেখানে দিনে গড়ে দেড় হাজার টাকার বেশি আয় হতো, এখন তা ৭০০-৮০০ টাকায় নেমে এসেছে।
চালকরা জানাচ্ছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেলের নিশ্চয়তা মিলছে না। একদিকে যেমন অ্যাপে কল বা যাত্রীর সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে তেলের জন্য দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা সময় নষ্ট হওয়ায় কিস্তির টাকা ও সংসারের খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। হতাশাগ্রস্ত হয়ে অনেকেই এখন আয়ের এই নির্ভরযোগ্য মাধ্যমটি ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন।
তীব্র সংকট ও সময়ক্ষেপণ হলেও রাইডশেয়ারিংয়ের ভাড়ায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। অ্যাপভিত্তিক ভাড়া আগের মতোই রয়েছে। চালকদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে চুক্তিতেও বেশি ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই বললেই চলে। নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরাও জানিয়েছেন, তেলের সংকটের কথা জানা থাকলেও চালকেরা খুব একটা বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন না; বরং এই কঠিন পরিস্থিতিতেও তারা আগের ভাড়াতেই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






