আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ কোনো অন্তহীন যুদ্ধ বা তথাকথিত ‘শাসক পরিবর্তনের’ লড়াই নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে তিনি এ-ও বলেছেন যে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর যে পরিবর্তন ঘটেছে, তা বিশ্বের জন্য মঙ্গলজনক। সোমবার (২ মার্চ) পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
হেগসেথ জানান, এই সামরিক অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানের নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে চিরতরে বিরত রাখা।
এটি ইরাক যুদ্ধের মতো কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা অনন্তকালের লড়াই নয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে অভিযানের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা (যেমন— দুই, চার বা ছয় সপ্তাহ) জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এর স্থায়িত্ব নির্ধারণের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা একেবারেই নাকচ করেননি পিট হেগসেথ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জয়ের জন্যই লড়াই করি” এবং এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিকল্পই বাদ দিচ্ছে না।
এই অভিযানে চারজন মার্কিন সেনাসদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করেছেন হেগসেথ। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের খুঁজে বের করে হত্যা করবে ওয়াশিংটন।
২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তিকে ‘ব্যর্থ চুক্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি এর তীব্র সমালোচনা করেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






