আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মধ্যেই থাইল্যান্ডে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির নির্বাচন কমিশন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের আগেই এই নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।
সংসদের বৃহত্তম দল বিরোধী ‘পিপলস পার্টি’র সঙ্গে বিরোধের জের ধরে প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল সংসদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালের আগস্টের পর থেকে আনুতিন দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। গত সেপ্টেম্বর মাসে সংবিধান সংস্কার এবং জানুয়ারির শেষে সংসদ ভেঙে দেওয়ার শর্তে পিপলস পার্টির সমর্থনে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্য তীব্র হওয়ায় তিনি আগেই সংসদ ভেঙে দেন।
থাইল্যান্ডের নাগরিকরা মোট ৫০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৪০০ জন সরাসরি ভোটে এবং ১০০ জন দলীয় তালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
প্রতিটি দল সর্বোচ্চ তিনজন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
ফলাফল ঘোষণা: নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর ১৫ দিনের মধ্যে স্পিকার নির্বাচন এবং পরবর্তীতে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে।
রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ৬৯ বছর বয়সি অভিজ্ঞ রাজনীতিক আনুতিন চার্নভিরাকুল বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন। কম্বোডিয়ার সঙ্গে চলমান সীমান্ত সংঘাতের কারণে দেশটিতে জাতীয়তাবাদী মনোভাব বেড়েছে, যা আনুতিনের ভোটব্যাংকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, ‘পিপলস পার্টি’ (সাবেক মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি) বর্তমানে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। ২০২৩ সালের নির্বাচনে জয়ী এই দলটি এবারও শক্তিশালী ফোর্স হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






