বাংলাফ্লো প্রতিনিধি
ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো একটি নির্বিঘ্ন, অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর মাধ্যমেই কেবল জনকল্যাণমুখী ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা সম্ভব। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বিভাজন ও হিংসা ভুলে সবাইকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে নিষ্ঠুর একনায়কতন্ত্রের পতন ঘটেছে। দেশে এখন স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠাই সময়ের দাবি।”
বাণীতে তিনি ১৬ ডিসেম্বরকে জাতির গৌরব ও অহংকারের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়। অদম্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে এই বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।” তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, শোষণমুক্ত ও ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন বারবার ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর দুঃশাসনে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, “টানা প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনমতকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। গুম, খুন ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে বিরোধী মত দমন করা হয়েছে এবং গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছিল।”
বাণীর শেষে দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে এই বিজয়ের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—আমরা সব ধরনের বিভাজন ও হিংসা ভুলে মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াব।”
বাংলাফ্লো/এফআইআর






