ট্রাইব্যুনাল ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, রায় দেখতে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ভিড়
বাংলাফ্লো প্রতিনিধি
ঢাকা: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আজ (সোমবার, ১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণা করা হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় ঘোষণা হতে যাওয়ায়, এই মামলা ঘিরে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
রয়টার্স, এপি, এএফপি, আল জাজিরা, বিবিসি ওয়ার্ল্ড-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য ভোর থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ভিড় করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, “বিশ্বের সব গণমাধ্যমের চোখ আজ ট্রাইব্যুনালের দিকে।”
শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও নিয়োজিত রয়েছে। রোববার সন্ধ্যা থেকেই দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান ও জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। গত ১৩ নভেম্বর এ মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়।
প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে।
প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা (মৃত্যুদণ্ড) চেয়েছে।
এ মামলায় মোট ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-জেরা শেষ হয়। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার।
নিজের দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






