এশিয়ান কাপের মূলপর্বের আশা টিকে রাখার জন্য হংকং চায়নার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাংলাদেশের। ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশ দলের প্রাণ হামজা চৌধুরীর উপর প্রত্যাশার চাপ বেশি, জানেন তিনি। তবে একক প্রচেষ্টা নয়, দলগতভাবে খেলে জেতার পরিকল্পনা হামজার।
অনুশীলন শুরুর আগে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে হামজা বললেন, ‘দিনশেষে ফুটবল একটা দলগত খেলা। মনে করি, মেসি যদি নিজেও বাংলাদেশের হয়ে খেলতেন, তবু আমাদের কৌশল ঠিক করা এবং টিম স্পিরিট গড়ে তোলার মতো চ্যালেঞ্জ থাকতই। ফুটবল কখনও একজনের খেলা নয়। বিশেষ করে আমাকে কেন্দ্র করে তো নয়ই। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমরা যেভাবে একটা জাতি হিসেবে আছি, সেভাবেই ঐক্যবদ্ধ থাকা। ইনশাআল্লাহ, আমরা একসঙ্গে থাকলে একটা দেশ হিসেবে সফল হতে পারবো।’
‘মিডফিল্ডারের সংজ্ঞাই হল আক্রমণ ও রক্ষণ দুই জায়গায় অবদান রাখা। তাই দুটোই ভালোভাবে করতে পারবো। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, তবে আমি বেশ রোমাঞ্চিত, খুব উপভোগ করছি।’
দলে চোট নিয়ে হামজা বললেন, ‘আবারও আপনাদের বলি, এটা ফুটবল। আমাদের চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে। কোন অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা ভারত, সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলেছি, সে সময় চোট ছিল। আমাদের স্কোয়াড খুব ভালো আছে। সুতরাং আমাদের পুরোপুরি কনফিডেন্স আছে এ ম্যাচ নিয়ে।’
‘সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে যে সুযোগটা হাতছাড়া করেছিলাম তার জন্য খারাপ লাগছে। পরবর্তী ম্যাচে সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। বিশেষ করে, চাই সবাইকে গর্বিত করতে। আমি আসার কারণে সবাই ভালোবাসে, গর্ব অনুভব করে। এজন্য আমার চাওয়াটা অনেক বড়। আশা করি পরবর্তীতে কিছু করতে পারব।’
‘বাংলাদেশে এসে আমি খুব উপভোগ করি। দ্বিতীয়বারের মতো আমার বউ-বাচ্চা এসেছে সাথে। পুরো পরিবারের জন্য অভিজ্ঞতা অনেক ভালো। এখানে আসতে আমার ভালোই লাগে।’ বাংলাদেশে এসে উপভোগ করার বিষয়ে বললেন হামজা।
৯ অক্টোবর রাত ৮টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপে হংকং চায়নার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ ‘সি’র বাকি দল সিঙ্গাপুর ও ভারত। দুই ম্যাচ শেষে এক ড্র ও এক হারে ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে তিনে আছে বাংলাদেশ। শীর্ষে সিঙ্গাপুর, দুইয়ে হংকং। টেবিলের তলানির দল ভারত।


