লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: শীতের সকালে লেপ-কম্বলের উষ্ণতা আর আলস্য আমাদের সবারই প্রিয়। কিন্তু জানেন কি, শীতকালীন এই আরামদায়ক অভ্যাসগুলোই গোপনে ডেকে আনতে পারে ক্যান্সারের মতো মরণঘাতী রোগ? বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, শীতকালে জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন এবং অসচেতনতা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। শীতের যেসব অভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
ঝুঁকি বাড়ায় যেসব অভ্যাস:
শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া: ঠান্ডা আবহাওয়ায় বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এই আলস্য ও দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ফলে শরীরে মেদ জমে, যা স্তন, কোলোরেক্টাল এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি: শীতকালে পর্যাপ্ত রোদ না পাওয়ার কারণে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দেয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং প্রস্টেট ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরির কারণ হতে পারে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: শীতে পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত ‘কমফোর্ট ফুড’ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এতে ওজন বৃদ্ধি ও বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটে, যা ক্যান্সারের সহায়ক।
ঘরের ভেতরের দূষণ: শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে জানালা-দরজা বন্ধ রাখলে ঘরের ভেতরে বিপজ্জনক কার্সিনোজেন বা দূষিত বাতাস আটকে থাকে। এটি ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শ্বাসযন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
লক্ষণ উপেক্ষা করা: সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অনেকে ক্লান্তি, দীর্ঘমেয়াদী কাশি বা ওজন হ্রাসের মতো ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো উপেক্ষা করেন। এতে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়।
অনিয়মিত ঘুম: দিনের আলো কম থাকায় শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক বা দেহঘড়ি এলোমেলো হয়ে যায়। ঘুমের এই অনিয়ম হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে বাধা সৃষ্টি করে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






