সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান ও প্রমাণ-নির্ভর তদন্ত শেষে নির্মাণ করেছে প্রামাণ্যচিত্র ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ’।
প্রায় এক ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের এই প্রামাণ্যচিত্রে উঠে এসেছে গুমের ভয়াবহ বাস্তবতা- কারা গুম করত, কীভাবে তা ঘটানো হতো, গুমের পর নিখোঁজদের কোথায় ও কীভাবে আটকে রাখা হতো, তাদের পরিণতি কী ছিল এবং কারা এই কাজে সরাসরি জড়িত ছিল- এসব প্রশ্নের প্রমাণভিত্তিক উত্তর।
প্রামাণ্যচিত্রটি বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়। সেখানে লেখা হয়,”‘বাংলাদেশে কখনো কেউ গুম হয় নাই’—বলে পতিত ফ্যাসিস্ট একটি অস্বীকারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে। এখনো তারা মিথ্যা প্রচার ও বিকৃত বয়ানের মাধ্যমে তাদের শাসনামলে সংঘটিত বিস্তৃত ও পরিকল্পিত গুমের সত্যকে আড়াল করে দায় এড়াতে চায়।গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন দীর্ঘ তদন্ত শেষে উদঘাটিত তথ্য এবং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে নির্মাণ করেছে প্রামাণ্যচিত্র।”
ফ্যাসিস্টের সত্য লুকানোর সব অপচেষ্টাকে প্রতিহত করবে এই প্রামাণ্যচিত্র- এমনটা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার পেজ থেকে বলা হয়, “গুম কারা করতো, কীভাবে করতো, গুম করার পরে কোথায় কীভাবে রাখা হতো, গুম হয়ে যাওয়া মানুষদের কী পরিণতি হতো, কারা কারা এই কাজে জড়িত ছিল? এই সব প্রশ্নের প্রমাণসহ উত্তর খুঁজে পাবেন এই প্রামাণ্যচিত্রে যা ফ্যাসিস্টের সত্য লুকানোর সব অপচেষ্টাকে প্রতিহত করবে।”
গুমের অকাট্য দলিল হিসেবে প্রামাণ্যচিত্রটিকে আখ্যা দিয়ে আরো লেখা হয়,”তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন, ধ্বংস বা লুকিয়ে রাখা প্রমাণ উদ্ধার করা-সহ এই অপরাধের পুরো সাইকেলটা উদ্ধার করেছে গুম কমিশন, যা আদালতের বিচারে অকাট্য প্রমাণ হিসাবে বিবেচিত হবে। আমাদের কালের জঘন্য অপরাধের বিপরীতে গা শিওরে ওঠা এক অকাট্য দলিল হয়ে থাকবে গুম কমিশনের তদন্তে উঠে আসা এইসব তথ্য।”


