বাংলাফ্লো প্রতিনিধি
ঢাকা: বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় অগ্রগতির আভাস পাওয়া গেছে। আগামী মার্চ মাসেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌপথ চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিথিপর্ন চিরাসাওয়াদি এই তথ্য জানান।
থাই রাষ্ট্রদূত জানান, চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি শিপিং চালুর বিষয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দেশের শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে। সব ঠিক থাকলে মার্চেই এই সেবা চালু হতে পারে। এছাড়া, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে থাইল্যান্ড বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা আসিয়ানে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনের বিষয়ে থাইল্যান্ডের সমর্থন প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে।” এছাড়া ড. ইউনূস বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা ও পর্যটনের জন্য আরও বেশি ভিসা ইস্যু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ অনলাইন প্রতারণা প্রতিরোধ, সামুদ্রিক যোগাযোগ এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






